পোস্টগুলি

মে, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শিব

শিব   শিব হলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্বোচ্চ দেবতা।  সনাতন ধর্মের শাস্ত্রসমূহে তিনি পরমসত্ত্বা রূপে ঘোষিত।  শিব সৃষ্টি-স্থিতি-লয়রূপ তিন কারণের কারণ, পরমেশ্বর- এটা তার প্রণাম মন্ত্রেই বার বার উঠে এসেছে। তিনি জন্মরহিত, শাশ্বত, সর্বকারণের কারণ; তিনি স্ব-স্বরূপে বর্তমান, সমস্ত জ্যোতির জ্যোতি; তিনি তুরীয়, অন্ধকারের অতীত, আদি ও অন্তবিহীন। মন্ত্রঃ  অজং শাশ্বতং কারণং কারণানাং শিবং কেবলং ভাসকং ভাসকানাম্। তুরীয়ং তমঃপারমাদ্যন্তহীনং প্রপদ্যে পরং পাবনং দ্বৈতহীনম্। এছাড়াও  বেদান্ত  অনুসারে তিনিই র মহা ঈশ্বর ।  শ্বেতাশ্বতর  উপনিষদে বলা হয়েছে - "যদাহতমস্তন্ন দিবা ন রাত্রির্নসন্ন চাসচ্ছিব এব কেবলঃ।" অর্থাৎ যখন আলো ছিল না, অন্ধকারও ছিল না; দিন ছিল না, রাত্রিও ছিল না; সৎ ছিল না, অসৎ ও ছিল না- তখন কেবলমাত্র ভগবান শিবই ছিলেন। উল্লেখ্য বেদান্ত বৈদিক সনাতন ধর্মের ভিত্তি তথা  বেদের  শিরোভাগ; সম্পূর্ণ  বেদান্তে  শিব ব্যতীত কারো সম্পর্কে এভাবে বলা হয়নি। শুধুমাত্র শিবের ক্ষেত্রেই বলা হয়েছে "শিব এব কেবলঃ"। সুতরাং সৃষ্টির পূর্বে ...

পরিচয়ে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ

ছবি
।।ওঁ তৎ সৎ।। জ্ঞান সংস্কার ঐক্য এসো ঋত-ঋদ্ধির পথে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, আপনি কেন "সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ "SVS " এর সাথে যুক্ত হবেন ?? ১. সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ একটি প্রতিষ্ঠিত সংগঠন, সারা বাংলাদেশ জুড়ে এর কার্যক্রম বিস্তৃত।এটি  সনাতন ধর্মের আদর্শের ধারক, একটি ধর্মীয় ও অরাজনৈতিক সংগঠন। ২.  বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় , বংগবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের মেডিকেল কলেজ,প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী বেসরকারী কলেজ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানজুড়ে এই সংগঠনের কার্যক্রম বিস্তৃত। ৩. শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় ইউনিয়ন,উপজেলা, জেলা এবং জাতীয় পর্যায়ে এই সংগঠনের কার্যক্রম ভূয়সী প্রশংসিত। ৪. আপনি সমাজে বিদ্যমান কুসংস্কারের সংস্কার করতে চান? তবে SVS এ যোগ দিন। সমাজ সংস্কার মানে সমাজের বিপক্ষে যাওয়া নই। ক্ষতিকর বিষয়গুলোকে নির্মুল করা। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর,রাজা রাম মোহন রায়,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,স্বামী বিবেকানন্দ প্রমুখ হিন্দু সমাজের প্রখ্যাত সমাজ সংস্কারক ছিলে...

এই যে শুনছে? আপনাকেই বলছ!!!!

ছবি
কবিতাঃমহামারী করোনা রচনায়ঃঅসিম কুমার মন্ডল আবৃত্তি ও এডিটিংঃ রাজ মন্ডল

পরশুরাম

ছবি
পরশুরাম  হিন্দু ধর্মে বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার।  একজন ব্রাহ্মণ হিসাবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, পরশুরাম ক্ষত্রিয়ের বৈশিষ্ট্য বহন করেছিলেন এবং প্রায়শই ব্রাহ্মণ যোদ্ধা হিসাবে বিবেচিত হন, তিনি অনেকগুলি বৈশিষ্ট্য বহন করেছিলেন, যার মধ্যে আগ্রাসন, যুদ্ধ এবং বীরত্ব অন্তর্ভুক্ত ছিল;  এছাড়াও, নির্মলতা, বিচক্ষণতা এবং ধৈর্য। বিষ্ণুর অন্যান্য অবতারের মতো, তিনি এমন এক সময়ে উপস্থিত হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যখন পৃথিবীতে প্রচণ্ড অশুভ প্রভাব পড়েছিল। ক্ষত্রিয় শ্রেণি, অস্ত্র ও শক্তি নিয়ে, তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করতে শুরু করেছিল, জোর করে অন্যের অধিকারকে গ্রহণ করেছিল এবং মানুষকে অত্যাচারিত করেছিল।  পরশুরাম এই ক্ষত্রিয় যোদ্ধাদের ধ্বংস করে মহাজাগতিক ভারসাম্যকে সংশোধন করেছেন। পরশুরাম ভীষ্ম, দ্রোণাচার্য এবং সূর্যপুত্র কর্ণ এর গুরুও  কিছু হিন্দু গ্রন্থে তাঁকে রাম জামাদগন্য, রমা ভার্গব এবং বীররামও বলা হয়।  কিংবদন্তী: হিন্দু কিংবদন্তি অনুসারে পরশুরাম এক ঝুপড়িতে বসবাসকারী ব্রাহ্মণ  এবং তাঁর ক্ষত্রিয় স্ত্রী রেণুকার জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর জন্মস্থানটি মধ্যপ্রদেশে...

আমার আমি

ছবি

-----বয়কট----

ছবি
---------------------------বয়কট--------------------                       অসীম কুমার মন্ডল                           ২৩/০৫/ ২০২০     সময় এসেছে আজ চারিদিকে চলে ধর্মঘট,     রুখে দাও শোষণ ওদের করো সবে বয়কট!      তুমি আমি ফলাই ফসল গড়ে তুলি ইমারত,               আমাদের ফলে ওদের বাহাদুরি                           নেয় কৈফিয়ত!    বুভূক্ষের আগুন জ্বলে শরীরের শিরায় শিরায়,                আমরা চেয়ে থাকি শুধু দুমুঠো                         উচ্ছিষ্টের আশায়।  তুমি আমি বট বৃক্ষ ওরা তো কেবল স্বর্ণ লতিকা,                আমাদের দেহ ও রক্তে বাঁচে যতো          ...

পৌরাণিক শিক্ষামূলক গল্প

ছবি
এক ব্যাক্তি একদিন জঙ্গলে কাঠ কাটছিলেন , হঠাৎ লোকটি পিছনে তাকিয়ে দেখলো একটি ক্ষুধার্থ বাঘ তার দিকেই এগিয়ে আসছে । লোকটি তখন প্রাণের ভয়ে দৌড় দিল,  লোকটি দৌড়াতে দৌড়াতে একটি কুয়োর নিকট এসে দাঁড়ালো । কুয়োটির ভিতর জল ছিলনা, পিছনে তাকিয়ে দেখলো বাঘটি তার দিকেই এগিয়ে আসছে , দেখলো তার আর বাঁচবার কোনো উপায় নেই কুয়োতে ঝাপ দেওয়া ছাড়া । অবশেষে সে ওই জল শূন্য কুয়োতেই ঝাপ দিল এবং কুয়োর মধ্যে পড়তে পড়তে একটি দড়ি পেয়ে সেটা ধরে ঝুলতে থাকলো । হঠাৎ সে উপরে তাকিয়ে দেখে সেই বাঘটিকে, কুয়োর মুখে দাঁড়িয়ে তখনও তাকে খাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে, লোকটি ভয়ে ভয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে দেখলো একটি বিশাল ভয়ংকর সাপ তার দিকে তাকিয়ে ফণা তুলছে । লোকটার ভয় আরো বেড়ে গেলো, ঠিক তখনই আবার দুটো সাদা আর কালো রঙের ইঁদুর ওই দড়িটাকে কুট কুট করে কাটতে শুরু করলো, লোকটি তখন কি করবে তাই ঠিক করতে পারছে না, হঠাৎ লোকটির মুখে কুয়োর উপরে থাকা একটি গাছ থেকে এক ফোঁটা মধু পড়লো। ঐ মধুর স্বাদ এতটাই যে লোকটি মুহূর্তের মধ্যে সব বিপদের কথা ভুলে গেল । যেমনটা আমরা মায়ার পিছনে ছুটে আমাদের সত্যটাকে ভুলে আছি । "কারণ ওই ক্ষুধার্থ বাঘটি আর কেউ...

আলোকরশ্মি করোনা ভাইরাস সম্পর্কে অসাধারণ লেখা

ছবি
আলোকরশ্মি রচনাঃঅমিতাভ চৌধুরী আবৃত্তি ও এডিটিংঃ রাজ  মন্ডল

আবারও রক্ষাকরলো সুন্দরবন

ছবি
প্রতি বছর ৩/৪টা ঘূর্ণিঝড় আসে বংগপোসাগরে। 😪 প্রতিটা বছর সবগুলো ঝড় একা সামাল দেয় আমাদের সুন্দরবন।  এই সুন্দরবনের কারনে আমরা প্রতিবছর বেচে যাচ্ছি বড় ধরনের ক্ষতি থেকে। 😇 আমরা কি দিচ্ছি সুন্দরবনকে? দিনের পর দিন বন কেটে উজাড় করে দিচ্ছি।🌱 হাতে গোনা কয়েকটা বাঘ ই আছে আমাদের,  তাও হারাচ্ছি আমরা দিন দিন। আম্পানের তান্ডবে প্রান হারিয়েছে এই রয়েল বেঙ্গল টাইগারটি। (সংগৃহীত)

বিষ

ছবি
দুটো বিষেই (2020) জীবন বিষাক্ত,আজ আবার তিনটে বিষ 20.2020 🙄

১০ নম্বর বিপদ সংকেত

ছবি
মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দর কে ১০ নাম্বার, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত 😥 আম্পান গতিপথ পরিবর্তন না করলে এবং দুর্বল নাহলে হতে পারে স্বরণ কালের সবচেয়ে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি যা ১০০ বছরের ভিতরে ও এতবড় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় হয়নি এবং মানুষ এতবড় বিপর্যয়ের মুখে পড়েনি 😥😥 সৃষ্টিকর্তা কে স্বরণ করুন  পশুত্ব কে বর্জন করুন  প্রাকৃতির কাছে ধরিত্রীমাতার কাছে করজোড়ে ক্ষমা প্রার্থনা করুন 

হ্যালো ডাঃ বাবু

#করোনভাইরাস_নিরাময়ের_জন্য_প্লাজমা_কৌশল_কী? প্লাজমা থেরাপি কি এবং প্লাজমা থেরাপিতে কি করা হয়? যে রোগীরা করোনা সংক্রমণ থেকে সেরে উঠছে বা সদ্য সেরে উঠেছে, তাদের দেহ থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করে অন্য আক্রান্ত রোগীর শরীরে দেওয়া হয়। এই প্লাজমা করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কিভাবে কাজ করে? বাইরে থেকে কোনো প্যাথোজেন শরীরে ঢুকলে আমাদের প্রতিরক্ষা শক্তি তার বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। এই অ্যান্টিবডি সেই প্যাথোজেনকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে, এবং রক্তের প্লাজমায় ভেসে বেড়ায়। যারা করোনাভাইরাসে ভুগে সুস্থ হয়ে উঠেছেন তাদের রক্ত থেকে এই প্লাজমা নিলে তাতে অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়। সেই প্লাজমা অন্য রুগীর শরীরে ইনজেকশন দিয়ে দিলে অ্যান্টিবডি তার শরীরের করোনাভাইরাসকে আক্রমণ করে নষ্ট করে দেয়। ইনজেকশন দেওয়ার আগে প্লাজমাতে ভাইরাস-নিউট্রালাইজিং অ্যান্টিবডি আছে কিনা সেটা স্ক্রিন করে দেখে নেওয়া হয়। যে কোভিড রুগীরা কোনো লক্ষণ ছাড়াই বা খুব অল্প ভুগে সুস্থ হয়ে উঠেছে তাদের শরীরে এই অ্যান্টিবডি তাড়াতাড়ি তৈরি হয় (তাই তারা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যায়); যারা বেশি সিরিয়াস হয়ে ওঠে তাদের অ্যান্টিবডি তৈরি হতে দেরি লাগে, বা হয়ই না।...

হস্হশিল্প

ছবি
মনের খেয়ালে লকডাউনে হাতের কাজ হস্হ শিল্পীঃ প্রমীতা

গানের লিরিক্স (রবীন্দ্রসংগীত)

ছবি
          রবীন্দ্রসংগীত  ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান, তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান আমার আপন হারা প্রান আমার বাধন ছেঁড়া প্রান  তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান,  ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান। তোমার অসুখে কিংশুকে, অলক্ষ রঙ লাগলো আমার অকারণের সুখে,(২) তোমার ঝাউয়ের দোলে মর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।(২) তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান , ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান। পূর্নিমা সন্ধ্যায়, তোমার রজনীগন্ধায় রুপসাগরের পাড়ের পানে উদাসী মন ধায়।(২) তোমার প্রজাপতির পাখা আমার আকাশ চাওয়া মুগ্ধচোখেরঙ্গীন স্বপন মাখা, (২) তোমার চাঁদের আলো মিলায় আমার দুঃখ সুখের সকল অবসান। (২) তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান, ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান। আমার আপন হারা প্রান আমার বাধন ছেঁড়া প্রান  তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান,  ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান। (2)

সচেতনতা

ছবি
টাইমলাইনে সেভ করে রাখুন। কখনও প্রয়োজন হতে পারে। জনসচেতনতায় ;;প্রতিভার প্রতিচ্ছবি"
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক ভিডিও দেখার জন্য ডাক্তারভাই অ্যাপটি আজই আপডেট করুন। বিস্তারিত জানতে bit.ly/Daktarbhai

আমি হেরে যাই।

ছবি
আমি হেরে যাই অসীম কুমার মন্ডল মাত্রাবৃত্ত ৬.৬.৬.৬ ১৭/০৫/২০২০ সমাজের নেতা আমি ধনঞ্জয়, আমাকেই মানে সমাজ সভায়। অন্তরে সর্বদা করে থাকি পন, ন্যায় নীতি আর সত্যের পালন। রাজ কাজে ফাঁকি নাহি দিব আর, সুসম বন্ঠন হবে জনতার। সেদিন বিকেলে লাখ টাকা দিয়ে, দীনুর আকুতি চাকরিটা নিয়ে। ঘরের লক্ষীকে কি করে ঠেলি, টাকা নিয়ে তাই অনিয়মে চলি। টাকা দিয়ে সুজা বলে দেখ ভাই, এ বিচারে মোর জেতা কিন্তু চাই। এমন বললে মন গলে যায়, কতোক্ষণ আর থাকি নিরদয়। সন্ধ্যায় ললিতা দেয় ভালোবাসা, একটা চাকুরি তার বড্ড আশা। অসহায় নারী কি করে ফেরাই, মানবতা কাছে আমি হেরে যাই।।

ছন্দ

ছবি
     ছন্দের পাতা   সংগ্রহে নীপা ধর  [এ সুখের নেই কোন সীমানা]-২ বসন্তেরই আমন্ত্রণে জড়িয়ে গেলাম আলিঙ্গনে সফল হলো বুঝি সাধনা। [এ সুখের নেই কোন সীমানা(ও ও)]-২ [(ও ও)খুশির চরণ ধ্বনি আমার প্রাণে, কী আবেশ ছুঁয়ে যায় আমার গানে]-২ চিরচেনা এই যে ভুবন শত রঙ্গে রঙ্গিন এখন স্বর্গ হলো বুঝি রচনা। [এ সুখের নেই কোন সীমানা]-২ [(ও ও)জীবনের যত ফুল এখন হাসে, হৃদয়ের আঙ্গিনায় সুরভি আসে]-২ এ জনমেই যেন আবার নতুন জনম হলো আমার ফুরিয়েই গেল যত ভাবনা। [এ সুখের নেই কোন সীমানা(ও ও)]-২ বসন্তেরই আমন্ত্রণে জড়িয়ে গেলাম আলিঙ্গনে সফল হলো বুঝি সাধনা। [এ সুখের নেই কোন সীমানা(ও ও)]-২
ছবি
      কেন তুমি চলে গেলে         শিল্পী শুত্রধর                                                                                                            একলা একাকী বসে ধানক্ষেতটির কোণে,   ভাবতেছিলাম - কেনো তুমি চলে গেলে!                 হটাৎ চেয়ে দেখি দুটি পাখি একসাথে চোখাচোখি বসে,                                     কি যেন করছে কানাকানি। তৎক্ষণাৎ মনোযোগটা চলে গেলো তুমার থেকে,           চিন্তা ধরে গেল মনে-        ওরাও কি তাহ লে চোখের ভাষা বুঝে?          ...
ছবি
খুব শিঘ্রই আমরা আসছি আপনার এলাকা......... ও শুরু করতে যাচ্ছি সচেতনতা মূলোক ভিডিও    

রূপকথার দেশে

ছবি
রূপকথার দেশে - রূপন দাস রাগে অনুরাগে         মান অভিমানে, এ হৃদয়ের মাঝে           কত প্রেম যে, কত যে যতনে,       আছে যে লুকিয়ে। কাছে এসে তুমি         নীরবে চুপি চুপি, নাও না তুমি বুঝে   তোমায় কত ভালবাসি। তোমায় যে সাজাব         রামধনুর সাতরঙে, রাঙা কৃষ্ণচূড়া-        খোঁপায় দিব গুজে। ঘুরে বেড়াব দুজনে        সাদা মেঘের রাজ্যে, মেঘের ভেলায় চেপে     রূপকথার মেঘের রাজ্যে। তুমি যে রাজকন্যে               আমি রাজপুত্তর, হারাব দুজনে রূপকথার        ওই দিগন্তের তেপান্তর।

প্রার্থনা

ছবি
প্রার্থনা - রূপন দাস এই বিশ্ব জগতের মহাসমুদ্র তীরে আবদ্ধ যেন মোহ মায়া ডোরে, আমার হৃদয় মন সদা আচ্ছাদিত পতিত আঁধার কালো পাপে-তাপে। মোহ মায়ার মহাসমুদ্র তীর থেকে পার করো হে মহাপ্রভু আমারে, তুমি যে মহাবিজ্ঞ জগৎ সংসারে আমায় মুক্ত করো পাপ-তাপ থেকে। যদি চলি পাপ কণ্টকরুদ্ধ পথে শত বাঁধা দিও তুমি সেই পথে, আমার হৃদয়ে আছো যত আঁধার ঘুচাও তোমার পুণ্য আলো জ্বেলে। আশাহীনের হৃদয়ে তুমি যে আশা আঁধার ঘেরা পথে তুমি যে দিশা, তোমার গুণ কীর্তনে যেন সদা থাকি আমার প্রাণে সদা যোগাও সেই শক্তি।

জাগো হে সারথি

ছবি
জাগো হে সারথি - রূপন দাস হাজার রাতের অন্ধকার দূরে ঠেলে জেগে উঠো হে তরুণ সারথি, দূর করো দেহের তন্দ্রা-জড়তা জেগে উঠো হয়ে ভোরের রবি। জাগো হে সারথি- শুধু তোমার অপেক্ষায় অনাগত দিনগুলি যেখানে তোমার পরশে খুলবে রুদ্ধদ্বার, তোমার পদচারণায় তোমার দীপ্তময় আহ্বানে জেগে উঠবে অচেতন সারথির গণজোয়ার। জাগো হে সারথি- যেখানে আছে শত-সহস্র বাঁধা হিমালয়সম ঐক্যের বাঁধনে সেখানে সব-বাঁধা টুটাবো, আঁধারের রাতে মোরা হবো অালোরযাত্রী মোরা দৃঢ় প্রত্যয়ী তরুণ সারথি। একদিন গাইব মোরা বিজয়ের গান মোরা ধরবো সমাজ উত্তরণের হাল, সেদিন থাকবেনা সমাজে কোন অন্ধকার দিকে দিকে জ্বলবে আলোর মশাল; জাগো হে সারথি- ধরো, সমাজ উত্তরণের হাল।

জেগে উঠো প্রমীলা

ছবি
জেগে উঠো প্রমীলা - রূপন দাস এই সুন্দর পৃথিবীতে দানব জেগেছে দানব জেগেছে, জেগেছে নব্য দানব, দুষিত করেছে এই পৃথিবীর পরিবেশ; চারদিকে আজ মানব মাংসল ভক্ষক; উৎ পেতে নিয়েছে প্রাণ দেবী প্রমীলার তোরা তো সভ্যতার কলঙ্ক দানবাকার! তোরা তো মানব দেহী অদৃশ্য মানব- গুণাবলিতে একবিংশ শতকে নব্য দানব, যে দানব ছিল পুরাকালে তারাও হেরেছে একবিংশ শতকের নব্য দানবের কাছে; উৎ পেতে নিয়েছে প্রাণ দেবী প্রমীলার তোরা তো সভ্যতার কলঙ্ক দানবাকার! মশাল জ্বেলে গণপ্রতিবাদে রাজপথ সরব, কি হবে মশাল জ্বেলে যখন মানবতা নিরব? মশালের আলোয় হয়না যখন আলোকিত মানবরূপি দানবের কুলষিত হৃদয় গৃহ! তবে কেন বার বার আর মশালের আলো? দাঁড়াও প্রমীলা, দাঁড়াও তুমি- জেগে তোল তোমার ভেতরকার দেবী শক্তি, সাহস করো প্রমীলা- তুমি পারবে বিনাশ করতে নব্য দানব শক্তি, তোমারি জাগরণে একবিংশ শতাব্দী পাবে মুক্তি।

করোনায় করুণ মাতম

ছবি
করোনায় করুণ মাতম রূপন দাস করোনার ছোবলের মহাদুর্যোগে চারদিকে ক্ষুধার্তের করুণ মাতম, চোখে মুখে যেন ক্ষুধার প্রতিচ্ছবি মানবসভ্যতা খাদ্য সংকটে চরম; চারদিকে ক্ষুধার্তের করুণ মাতম। আজ মানুষ কর্মহীন, অর্থ শূন্য খাদ্য কেনার নেই কোন সামর্থ্য, ছুটে চলেছে মানুষ দিকে দিকে পেতে করোনায় ত্রাণের খাদ্য; আজ মানুষ কর্মহীন, অর্থ শূন্য। এই দুর্যোগে থাকার নিয়ম গৃহবন্দী ক্ষুধার্ত মানুষ ছুটেছে নিয়ে ঝুঁকি, এক্ষণে একদল ধূর্তবাজ জানোয়ার- ত্রাণের খাবার দিয়ে নেয় ছিনিয়ে খাবার; আবার ক্ষুধার্তের ত্রাণের খাবার করে চুরি ক্ষুধার্ত ক্ষুধার জ্বালায় করে আহাজারি; জাগো মানবতা, জাগো মানব বিশ্বধরিত্রী!

জন্ম-জন্মান্তরের ইচ্ছে

ছবি
জন্ম-জন্মান্তরের ইচ্ছে - রূপন দাস মাঝে মাঝে আমারও সুদূর আকাশের নক্ষত্ররাজি বা তারা হতে ইচ্ছে করে, ইচ্ছে করে যেন জোনাকির আলো হয়ে আঁধার ঘেরা নিশুতি রাতে আলো ছড়াতে; সবি লোক বিশ্বাস: জানি, মৃতেরা হয় তারা, হয়তো বা জোনাকি! আবার কেউ মৃত্যুর পর হতে চায়- বটবৃক্ষ বা চির সবুজময় বন-বনানী, হতে চায় ভালো লাগার মায়াবতী সেই পাখী যার ডানা মেলে সুদূর নীলাকাশ দেবে পাড়ি; কত না ইচ্ছে মনের ভিতর নিশিদিন আনাগোনা ভেবে ভেবে নিজের মাঝে নিজেই আত্মহারা; ইচ্ছে গুলো যেন চিরকাল জন্ম থেকে জন্মান্তরে মানবেরা পেয়েছি বিধাতার একান্ত সদ-ইচ্ছে! কেউ হতে চায় চাঁদনীস্নাত ঝলমলে রাতের মায়ামাখা ফালগুনী আকাশের মায়াবী জোছনা, হতে চায় জোছনা ভেজা রাতে সমুদ্র বিহারী, যেখানে মন মাতানো সিংহের ন্যায় সমুদ্রের বিশাল জলরাশির ভয়ংকর গর্জন; উন্মদ হয়ে মন ভেসে যায় কিছুটা ভয়ে তবু আনন্দে ভাসে, এ যেন মানবের জন্ম জন্মান্তরের ইচ্ছে! ইচ্ছে গুলো যেন চিরকাল জন্ম থেকে জন্মান্তরে মানবেরা পেয়েছি বিধাতার একান্ত সদ-ইচ্ছে!

অপেক্ষা কবিতা

ছবি
কবিতা: অপেক্ষা আবৃত্তি: এসকেএইচ সৌরভ হালদার কবি: এসকেএইচ সৌরভ হালদার